30267

04/15/2026 পহেলা বৈশাখে ইবি কালচারাল সোসাইটির আয়োজনে বিতর্ক উৎসব

পহেলা বৈশাখে ইবি কালচারাল সোসাইটির আয়োজনে বিতর্ক উৎসব

ইবি প্রতিনিধি:

১৪ এপ্রিল ২০২৬ ২২:৩৫

‘সত্যের যুক্তিতে হোক আগামীর চেতনা বিনির্মাণ’—এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে পহেলা বৈশাখ বিতর্ক উৎসব।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কালচারাল সোসাইটির উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।

সংসদীয় পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এই বিতর্কের মূল বিষয় ছিল—‘এই সংসদ প্রচলিত পহেলা বৈশাখ উৎসবকে বাঙালি সংস্কৃতি হিসেবে স্বীকৃতি দেবে না’। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে সরকারি দল ও বিরোধী দলের বিতার্কিকরা যুক্তি, পাল্টা যুক্তি এবং তর্কের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।

সরজমিনে দেখা যায়, প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য দেন মোঃ শান্ত শিশির, মিশুক শাহরিয়ার ও মারজাহান আক্তার তানিয়া। অন্যদিকে প্রস্তাবের বিপক্ষে নিজেদের যুক্তি উপস্থাপন করেন মুমতাহিনা রিনি, লাবিদ হাসান ইফতি ও নাজমুল হাসান আরাফাত।

বিতর্ক চলাকালে উভয় পক্ষই পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য, ইতিহাস, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করেন। যুক্তিনির্ভর আলোচনার মধ্য দিয়ে দর্শকদের মাঝে বিষয়টি নিয়ে নতুন ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়।

পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশজুড়ে আয়োজিত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কিছু উপাদান বিশেষত শোভাযাত্রায় মূর্তি ও প্রাণীর প্রতিকৃতি প্রদর্শন বাঙালি মুসলিম সংস্কৃতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করা হয়েছে।

সংগঠনটির আহ্বায়ক শান্ত শিশির বলেন, ঐতিহাসিকভাবে বাঙালি সমাজে হিন্দু ও মুসলিম এই দুই ভিন্ন সাংস্কৃতিক ধারা বিদ্যমান ছিল, ফলে একক জাতীয় সংস্কৃতির ধারণা প্রশ্নবিদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের প্রেক্ষাপটে পহেলা বৈশাখে কৃষকের জীবন-সংগ্রাম, সামাজিক বাস্তবতা ও উন্নয়নভিত্তিক আলোচনা প্রাধান্য পাওয়া উচিত। এ সময় তথাকথিত অপসংস্কৃতি ও অশ্লীলতার প্রতিবাদ জানিয়ে প্রকৃত বৈশাখ চর্চার আহ্বান জানানো হয়।

প্রকাশক ও সম্পাদক : মহিব্বুল আরেফিন
যোগাযোগ: ২৬৮, পূবালী মার্কেট, শিরোইল, ঘোড়ামারা, রাজশাহী-৬০০০
মোবাইল: ০৯৬৩৮ ১৭ ৩৩ ৮১; ০১৭২৮ ২২ ৩৩ ২৮
ইমেইল: [email protected]; [email protected]