30541

05/17/2026 আপনারাও স্বৈরাচারীতার পথেই হাঁটছেন

আপনারাও স্বৈরাচারীতার পথেই হাঁটছেন

শাহ্ সুফি মহিব্বুল আরেফিন

১৬ মে ২০২৬ ১৮:১৮

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে ১১দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ প্রধান অতিথী হিসেবে বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যাদের ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে আজ সংসদ ও গণভোট সম্ভব হয়েছে, তাদেরই এখন অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে। তরুণদের আত্মত্যাগের ফলেই দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা নির্বাচনের আগে বলেছিলেন নির্বাচিত প্রতিনিধি ছাড়া কেউ ক্ষমতায় বসবে না। অথচ এখন ৪৭ জেলায় প্রশাসক বসানো হয়েছে। সিটি করপোরেশনেও প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমরা গুম কমিশন চেয়েছিলাম। কিন্তু আপনারাও স্বৈরাচারীতার পথেই হাঁটছেন।

শনিবার দুপুর দু’টায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনদুর্ভোগ নিরসন এবং ফারাক্কা ইস্যুতে পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও জনসম্পৃক্ত বিষয়ে বক্তব্য তুলে ধরবেন। বিরোধী দলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত আরও বলেন, সরকার এখন এসব আন্দোলনকারীকে শিশু সংগঠন বা গুপ্ত সংগঠন বলছে। কিন্তু জনগণের ৭০ শতাংশ রায়কে অস্বীকার করা যাবে না। এখনো সময় আছেএসে বলুন, আমরা জনগণের রায় মেনে নিচ্ছি। তাহলে জনগণ আপনাদের ক্ষমা করবে। আমীরে জামায়াত বলেন, ভালো কাজ করলে আমরা পানির মতো তরল থাকবো, আর অন্যায় করলে ইস্পাতের মতো কঠোর হবো। আপনারা চাঁদাবাজিমুক্ত বাংলাদেশের কথা বলেছিলেন, কিন্তু এখন সমঝোতার নামে চাঁদাবাজি বৈধ করা হচ্ছে। জাতীয়তাবাদী দল আজ চাঁদাবাজ দলে পরিণত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে সবখানে যোগ্যদের বাদ দিয়ে অযোগ্যদের বসানো হচ্ছে। সংসদে কথা বলতে না দিলে আমরা রাজপথে কথা বলবো। ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। যারা ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়ে হাসতে পারে, তারা কোনো হুমকিকে ভয় পায় না। সীমান্ত হত্যা নিয়ে বিরধী দলীয় নেতা বলেন, আমরা প্রতিবেশী দেশকে সম্মান করি, কিন্তু আমাদের দিকে চোখ রাঙাবেন না। আমাদের ঘুম হারাম করলে আমরাও আপনাদের শান্তিতে থাকতে দেবো না। বাংলাদেশের পদ্মা ও তিস্তার বিশাল অংশ আজ মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। নদীকে তার যৌবন ফিরিয়ে দিতে হবে।

শেষে তিনি বলেন, আমরা ভালো কাজের পক্ষে সবসময় থাকবো। কিন্তু অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করবো। জনগণের দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে। আমরা জীবন দিতে পারি, কিন্তু দেশের মর্যাদা বিকিয়ে দেবো না।

সমাবেশে উপস্থাপনা করেন রাজশাহী মহানগরী জামায়াত সেμেটারী ইমাজ উদ্দিন মন্ডল, রাজশাহী জেলা জামায়াত সেμেটারী মোঃ গোলাম মুর্তজা, এনসিপি’র রাজশাহী মহানগরীর আহবায়ক মোঃ মোবাশ্বের আলী। সমাবেশে মাওলানা আরিফুল ইসলাম এবং হামদে বারিতা’য়ালা পেশ করেন রাজশাহী শিল্পী পরিষদ।

বিভাগীয় মহাসমাবেশে বক্তব্য রাখেন লিবারেল ডেমোμেটিক পার্টি, রাজশাহী মহানগরী সেμেটারী ওয়াহেদুজ্জামান ডাবলু, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী মহানগরী শাখার সভাপতি মোঃ ইমরান নাজির, রাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোঃ মুজাহিদ ফয়সাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, রাজশাহী মহানগরী সভাপতি মুফতি যোবায়ের হোসেন, রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর ডাঃ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, নাটোর জেলা আমীর ড. মীর নুরুল ইসলাম, নওগাঁ জেলা আমীর মোঃ আব্দুর রাকিব, সিরাজগঞ্জ জেলা আমীর মোঃ শাহিনুর আলম, বগুড়া জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকার, রাজশাহী জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আমীর মাওলানা আবুযর গিফারী, বগুড়া মহানগরী আমীর অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেল, জয়পুরহাট জেলা আমীর মোঃ ফজলুর রহমান সাঈদ এমপি, পাবনা জেলা আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল এমপি, রাজশাহী মহানগরী আমীর ড. মোঃ কেরামত আলী এমপি, এনসিপির সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, এনসিপি মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টি সভাপতি, এ্যড. এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) আল রাশেদ প্রধান, জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিন আমীর নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন আমীর মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি, লিবারেল ডেমোμেটিক পার্টির সভাপতি কর্নেল অব: অলি আহমদ বীর বিμম, রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশ সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি প্রমুখ।

বিভাগীয় সমাবেশে রাজশাহী মহানগরীর নায়েবে আমীর ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, দেশ আজ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে? দেশে তেল নেই, পেট্রোল নেই, বিদ্যুৎ নেই। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে চলছে। দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের ভোটের রায় নিয়ে তারা টালবাহানা করছে। প্রয়োজন হলে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আমরা মাঠে নামবো। তবুও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আমরা পিছপা হবো না। রাজশাহী জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক বলেন, জনগণের রায় নিয়ে বিএনপি সরকার গড়িমসি ও তামাশা শুরু করেছে। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই—দ্রুত জনগণের রায় বাস্তবায়ন না হলে আমরা মাঠে নামতে বাধ্য হবো। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবু জার গিফারী বলেন, ইতিহাসের নির্মম সত্য হলো, যারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না, তারা ধ্বংস হয়ে যায়। জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে কোনো সরকার টিকে থাকতে পারে না। আমরা চাই বিএনপি সরকার দ্রুত ৭০ শতাংশ মানুষের রায় মেনে নিক।

এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন বলেন, এটি শুধু একটি সমাবেশ নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের অধিকার আদায়ের সমাবেশ। রাজশাহী অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। আমরা আর অবহেলায় বাঁচতে চাই না। আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে চাই। সেই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা জুলাই সনদের দাবিতে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়েছি। জনগণ আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভোট দিয়েছেন। কিন্তু যারা এই রায় বাস্তবায়ন করছে না, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা পদ্মা নদীর পানি চাই। রাজশাহীর সঙ্গে পদ্মা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যারা পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে টালবাহানা করবে, তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

রাজশাহী মহানগরীর আমীর ড. মো. কেরামত আলী এমপি বলেন, ভোট নেওয়ার সময় জনগণের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করলেও ক্ষমতায় এসে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। আমরা জনগণের রায় বাস্তবায়ন করেই ছাড়বো।

বাজাইয়ের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, ভোটের আগে যারা জুলাই সনদের পক্ষে ছিল, সরকার গঠনের পর তারাই এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। যেকোনো মূল্যে এ দেশের মানুষ গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেই ঘরে ফিরবে।

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, আমাদের সামনে জীবন দিয়ে আবু সাঈদ ভাই বলে গেছেন—দেশকে রক্ষা করতে হলে রক্ত দিতে হবে। আমরা এখানে চাঁদাবাজি করতে আসিনি। আমরা এসেছি ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের শহীদদের অধিকার রক্ষার জন্য। অনেক ভাই আজ পঙ্গু হয়ে ঘরে বসে আছেন। তাদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে আমাদের ভোট চুরি করা হয়েছে, কিন্তু দেশের স্বার্থে আমরা নীরব ছিলাম। জিয়ার পুত্র তারেক রহমানকে বলতে চাই—আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙতে বাধ্য করবেন না। জুলাই সনদ নিয়ে তামাশা করবেন না। জনগণের রায় নিয়ে গড়িমসি করলে আপনাদের পরিণতিও আওয়ামী লীগের মতো হবে। তিনি বলেন, আমরা আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করি না। সীমান্তে প্রতিনিয়ত হত্যাকাণ্ড বাড়ছে। এমন সম্পর্ক আমাদের প্রয়োজন নেই। ভারতকে আমরা ভয় করি না। পদ্মা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়েও তারা টালবাহানা করছে। অন্যদিকে সরকার তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে জনগণের সঙ্গে তামাশা করছে। অবিলম্বে এসব সংকট নিরসন করে জনগণের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে।

জাগপার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রধান বলেন, মওলানা ভাসানী ফারাক্কা ইস্যুতে এখানেই সমাবেশ করেছিলেন। সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে যে পদ্মায় পর্যাপ্ত পানি থাকবে। পদ্মা শুকিয়ে গেলে সরকারও টিকে থাকতে পারবে না। ভারতের সঙ্গে গোপন সমঝোতা বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না। এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর আমরা ভেবেছিলাম ক্ষমতায় যারা আসবে তারা শিক্ষা নেবে। কিন্তু বিএনপি সরকার তিন মাস না যেতেই অতীত ভুলে গেছে। মানুষ তারেক রহমানকে দেখে নয়, জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব দেখে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে। অথচ ক্ষমতায় এসেই তারা ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে উপহাস করছে। তিনি বলেন, সীমান্তে প্রতিদিন মানুষ হত্যার ঘটনা আবার বাড়ছে। দেশে নতুন করে চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে। বিএনপি কি শুধু বিএনপির সরকার, নাকি পুরো বাংলাদেশের সরকার? আমরা জাতীয় নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছি। কিন্তু আমাদের অধিকার কেড়ে নিতে চাইলে আমরা ঘরে বসে থাকবো না। তিনি আরও বলেন, বিএনপি খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে এজন্য ধন্যবাদ। কিন্তু নদীতে পানি না থাকলে খাল খনন করে কী লাভ? আমরা দ্রুত জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এবং ৭০ শতাংশ মানুষের রায়ের সম্মান চাই। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমীর ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির যে আদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে, সেই একই সাংবিধানিক ভিত্তিতেই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন বৈধ হলে গণভোট কেন অবৈধ হবে? বিএনপির সবচেয়ে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হলো দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে অস্বীকার করা। জনগণ এর দাঁতভাঙা জবাব দিতে প্রস্তুত।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য ততটুকুই গ্রহণযোগ্য যতটুকু কুরআন-হাদিসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যতদিন জনগণের রায় বাস্তবায়িত না হবে, ততদিন আন্দোলন চলবে। সরকার “না” ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েও জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট “হ্যাঁ”-এর পক্ষে পড়েছে। তাই জনগণের রায়কে সম্মান জানাতেই হবে। তিনি বলেন, সরকার সাড়ে চার কোটি মানুষের রায়কে অস্বীকার করছে। জনগণের রায় মানা না হলে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, জনগণ আজ দুঃসহ জীবনযাপন করছে। প্রতিদিন হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশ হচ্ছে। ভারত বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে কাজ করছে। ভারতে মুসলমানদের নামাজ পড়তে দেওয়া হচ্ছে না, মসজিদ ভাঙা হচ্ছে। আমরা কারও ধর্মে হস্তক্ষেপ করি না, কিন্তু আমাদের প্রতিও হুমকি বরদাশত করা হবে না। তিনি আরও বলেন, এখন দলীয়করণের মাধ্যমে অযোগ্য লোকদের বিভিন্ন পদে বসানো হচ্ছে। আমরা কোনো দলীয় নেতা বা মন্ত্রী চাইনি; আমরা চেয়েছি সংস্কার। দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভয়াবহ। বিদেশের দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজেদের উৎপাদন বাড়াতে হবে। আপনারা যাদের মন্ত্রী বানিয়েছেন তাদের অনেকেরই যোগ্যতা নেই। তারা জনগণের নয়, নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত। দেশের সমস্যা সমাধানে বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়ে সংস্কার করতে হবে।

রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশের সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নিজেও গণভোটের প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন। অথচ এখন বলা হচ্ছে জনগণ গণভোট বোঝে না। বিএনপি নেতারা পাগল হতে পারেন, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ পাগল নয়। তারা বুঝেশুনেই ভোট দিয়েছেন। তাই দ্রুত জনগণের রায় মেনে নিতে হবে।
 

 

প্রকাশক ও সম্পাদক : মহিব্বুল আরেফিন
যোগাযোগ: ২৬৮, পূবালী মার্কেট, শিরোইল, ঘোড়ামারা, রাজশাহী-৬০০০
মোবাইল: ০৯৬৩৮ ১৭ ৩৩ ৮১; ০১৭২৮ ২২ ৩৩ ২৮
ইমেইল: [email protected]; [email protected]