রাবি ইতিহাস বিভাগের দ্বি-বার্ষিক অ্যালামনাই সম্মেলন শুরু
রাবি প্রতিনিধি: | প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৫৯; আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:০৩
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ইতিহাস বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের দ্বাদশ দ্বী-বার্ষিক সম্মেলন উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (১০ই এপ্রিল) বেলা ১০টায় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে আয়োজিত এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.ফরিদুল ইসলাম।
সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনের সামনে শেষ হয়। এরপর মিলনায়তনে সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
ইতিহাস বিভাগের দ্বাদশ দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের অনুষ্ঠানে সভাপতি করেন ওমর বীন কুমার এবং অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ছিলেন প্রফেসর ড. মো.শেরেজ্জামান।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ প্রফেসর ড.শরিফ উদ্দিন আহমেদ। অ্যাসোসিয়নের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মোহা. ফরিদ উদ্দীন। এছাড়া ইতিহাস বিভাগের সাবেক ও বর্তমান প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
ইতিহাস বিভাগের সভাপতি ও রাবি ইতিহাস অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. শেরেজ্জামান বলেন, আজকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের দ্বাদশ সম্মেলন হলো। আমাদের এই এসোসিয়েশন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি পথিকৃত হয়ে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের এই এসোসিয়েশনের বেশ কয়েকটি উদ্দেশ্য আছে, যারা ইতিহাস বিভাগ থেকে পাশ করে যান, এই প্রাক্তনিদের মধ্য যে মিথষ্ক্রিয়া তৈরি এটাই মুল উদ্দেশ্য। বিদ্যমান যে শিক্ষার্থী আছে তাদের মধ্যে কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা, যারা অসহায়, অসচ্ছল তাদের আর্থিক সহায়তা দান করে থাকে এই এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে।
এ্যালামনাইতে অংশ নিতে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯১-১৯৯২ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী মো.শরিফুল ইসলাম বলেন, আমি প্রতিবারই এই মিলনমেলায় অংশ গ্রহণ করার চেষ্টা করি,তবে এই সম্মেলনের মাধ্যমে পুরনো বন্ধুদের সাথে দেখা হয়, সবাই মিলে অনেকদিন পর মিলিত হওয়ার পর এভাবেই আমরা সবাই মিলে আনন্দ উপভোগ করি। যেহেতু এ্যালামনাইটি ২ বছর পরপর হয় তাই আমি আসা করছি যেনো প্রতিবছরই হয়। তাহলে প্রতিবছরই সবার সাথে দেখা হবে।
সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অনুষ্ঠানমালায় ছিল সকাল থেকে পাতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং নাস্তা- মধ্যাহ্নভোজসহ বিভিন্ন আয়োজন।
দিনব্যাপী নানা কার্যক্রম, সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলন ও স্মৃতিচারণায় মুখর হয়ে ওঠে ইতিহাস বিভাগের এই সম্মেলন। অনুষ্ঠানটি প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মাঝে প্রজন্ম-সংযোগ ও সৌহার্দ্যের সেতুবন্ধ তৈরি করে।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: