সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, ১৫ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

রাজটাইমস ডেস্ক | প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৮:০৮; আপডেট: ১০ ডিসেম্বর ২০২২ ০৮:০১

ছবি: প্রতীকী

পূর্ণিমা ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলের ১৫ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোকে তিন (৩) নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আজ রোববার আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পশ্চিম মধ্য-বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে উড়িশা উপকূল ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিম মধ্য-বঙ্গোপসাগর এলাকায় নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে।

নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়াসহ ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

সেখানে আরও বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়া চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন (৩) নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

পূর্ণিমা ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১ থেকে ২ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

ফলে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে নিষেধ করা হয়েছে।

সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আগামী তিন দিন সারাদেশেই বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে নেত্রকোণায় ৯৮ মিলিমিটার। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে ২৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।



বিষয়:


বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস
এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top