সেবাবঞ্চিত রোগীরা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে বন্ধ ডেন্টাল ইউনিট

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ৩ আগস্ট ২০২১ ১৮:১৩; আপডেট: ৩ আগস্ট ২০২১ ১৮:৪৪

ছবি-প্রতিনিধি

গ্রামাঞ্চল থেকে রোগীরা চিকিৎসাসেবার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের আধুনিক সদর হাসপাতালে যাচ্ছেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না। শেষ পর্যন্ত রোগীরা বাধ্য হয়ে বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে যাচ্ছেন।

জেলা হাসপাতালটি ২৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে এক বছর আগে। ২৫০ শয্যার প্রশাসনিক অনুমোদন মিললেও মেলেনি জনবল। সেই ৫০ শয্যার জনবল দিয়েই চলছে ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালের কার্যক্রম। ফলে হাসপাতালের বেড সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি সেবার মান। প্রয়োজনীয় ওষুধ, চাহিদা মতো চিকিৎসক ও স্টাফ না থাকায় উন্নতি হয়নি চিকিৎসাসেবার।

প্রায় দেড় বছর থেকে সেবা নেই ডেন্টাল ইউনিটে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় দাঁতের চিকিৎসার কোনও ব্যবস্থা নেই এ হাসপাতালে। ফলে বাইরের বিভিন্ন ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারই রোগীদের ভরসা। শহরের বিভিন্ন ডেন্টাল ক্লিনিকে রোগীরা ফি দিয়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব ডেন্টাল ক্লিনিকে দাঁতের চিকিৎসা নিতে গিয়ে প্রতারিত হচ্ছেন গ্রামাঞ্চল থেকে আসা রোগীরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের ডেন্টাল ইউনিট বন্ধ থাকায় জনমনে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ডেন্টাল বিভাগের একজন চিকিৎসকের পদ থাকলেও তা দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। এতে করে শহরের বিভিন্ন ডেন্টাল ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা। এ রোগের চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নেই কোনো নীতিমালা। স্বাস্থ্যবিভাগের তদারকি না থাকায় খেয়ালখুশি মতো ফি নিচ্ছেন ডেন্টাল ক্লিনিক মালিকরা।

এ প্রসঙ্গে ২৫০ শয্যার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোমিনুল হক বলেন, আমি ১১ মাস আগে এ হাসপাতালে যোগদান করেছি। আমার যোগদানের আগে থেকেই চিকিৎসক না থাকায় ডেন্টাল ইউনিট বন্ধ রয়েছে। হাসপাতালটি ২৫০ শয্যার প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়ার পরপর অনুমোদিত চিকিৎসকের চাহিদাপত্র মন্ত্রণালয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও এ হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সদর আসনের সাংসদ হারুনুর রশিদ শূন্য পদের চিকিৎসকদের আনতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। আশা করছি, দ্রুত চাহিদা মোতাবেক জনবল পাবো।

 

এসকে




বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top