ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রনে রাখতে কোনটা খাবেন আগে, কোনটা পরে

রাজটাইমস ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৬ জানুয়ারী ২০২২ ১৪:১৩; আপডেট: ২৭ মে ২০২২ ০৩:২৯

ছবি: প্রতীকী

ইনসুলিন নির্ভর ডায়াবেটিস রোগে পথ্যও একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এই কারণে ডায়বেটিস রোগীদের খাবার হতে হবে পুষ্টিকর ও সুষম। বয়সের ছাপ কমাতে এবং শরীরে শর্করার পরিমাণ ঠিক রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের প্রয়োজনীয়তা জানেন সকলেই।

কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে শুধু সঠিক খাবার খাওয়াই যথেষ্ট নয়, খাবার খেতে হবে সঠিক নিয়ম মেনে।

মাঝারি শ্রমে নিয়োজিত ব্যক্তিরা প্রতি কেজি ওজনের জন্য ৩০ ক্যালরি খাদ্যশক্তির খাবার গ্রহণ করবেন। মোট ক্যালরির ৪০-৫০ শতাংশ শর্করা জাতীয় খাবার থেকে গ্রহণ করতে হবে।

জটিল শর্করা যেমন ভূসিসহ আটা, ঢেঁকিছাঁটা চাল, ডাল, বাদাম, শিমের বিচি, ছোলা প্রভৃতি খাদ্য নির্বাচন করা উচিত। মোট ক্যালরির ১৫-২০ শতাংশ প্রোটিন জাতীয় খাদ্য থেকে গ্রহণ করতে হবে।

সারা দিনের খাবারকে তিন ভাগে ভাগ করতে হবে। পাঁচ ভাগের এক ভাগ সকালের নাশতায়, দুই ভাগ দুপুরে এবং দুই ভাগ রাতে খেতে হবে।

অর্থাৎ কোন খাবার আগে খাবেন এবং কোন খাবার পরে, তার উপরেও অনেকখানি নির্ভর করে রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখা এবং বয়স জনিত উপসর্গ দূর করার মতো বিষয়গুলি।

নিউ ইয়র্কের ওয়েল কর্নেল মেডিক্যাল কলেজের একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে সঠিক পুষ্টিগত উপাদানযুক্ত খাবার খাওয়ার পাশাপাশি কোন ক্রমে সেই খাবার খাওয়া হচ্ছে তার উপরেও রক্তের শর্করার পরিমাণ অনেকটা নির্ভর করে।

গবেষকদের দাবি, কার্বোহাইড্রেট প্রথমে খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ যতটা বৃদ্ধি পায় তার তুলনায় আগে শাক-সব্জি ও প্রোটিন জাতীয় খাবার খেলে অনেকটাই কম থাকে রক্তের শর্করার মাত্রা। আগে প্রোটিন ও শাক-সব্জি খেলে আধা ঘণ্টা, এক ঘণ্টা ও দুই ঘণ্টা পর রক্তে শর্করার মাত্রা কম থাকে যথাক্রমে ২৯, ৩৭ ও ১৭ শতাংশ।

শুধু শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণই নয়, কোন ক্রমে খাবার খাচ্ছেন তার প্রভাব পড়ে বার্ধক্য জনিত লক্ষণ, দেহের ওজন এবং হরমোনের ভারসাম্যের উপরেও।

গবেষকদের দাবি প্রোটিন এবং শাক-সব্জি আগে খেলে শর্করা জাতীয় খাদ্যের আগেই শরীরে পৌঁছে যায় ফাইবার। যার ফলে পরিপাকের গতি ধীর কিন্তু স্থির হয় এবং আচমকা দেহের শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে না।

এই পদ্ধতিতে খাবার খেলে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য যেমন বজায় থাকে তেমনই কমে প্রদাহ, ভাল থাকে ত্বকও। ফলে বয়সের ছাপ পড়ে কম।



বিষয়:


বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top