পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে রেলপথ, যোগাযোগ বিচ্ছিন্নের শংকা সিলেটের !

রাজটাইমস ডেস্ক | প্রকাশিত: ২২ জুন ২০২২ ১৭:৪৯; আপডেট: ২৮ জুন ২০২২ ১১:২২

ছবি: প্রতীকী

কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার অধিকাংশ এলাকা বাড়ছে বন্যার ঢলে। সেকারনে এখন গতি কমিয়ে ট্রেন স্বাভাবিক রয়েছে চলাচল। তবে পানি বাড়লে বা স্রোত বাড়লে ট্রেন চলাচল অব্যাহত রাখা যাবে কিনা তা আশঙ্কা রয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। সারাদেশের সাথে সিলেট অঞ্চলের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দাসহ সংশ্লিষ্টরা। গেল কয়েক দিন থেকে টানা ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হাকালুকি হাওরের তীরবর্তী কুলাউড়া,জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার অধিকাংশ এলাকা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।

কম বেশি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এখনো অব্যাহত থাকায় বুধবার (২২ জুন) নতুন নতুন এলাকার ঘরবাড়িতে উঠছে বন্যার পানি। প্লাবিত হচ্ছে বিভিন্ন এলাকা। মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার বরমচাল ইউনিয়নের ফানাই-আনফানাই নদী এলাকায় ফানাই ব্রিজের মধ্যবর্তী স্থানে রেললাইনে বন্যার পানি উঠেছে। এছাড়াও কুলাউড়া শহরতলী এলাকার আশপাশেও কয়েকটি স্থানে শুরু হয়েছে পানি উঠা।

স্থানীয় বাসিন্দার জানান, বরমচালের ফানাই-আনফানাই নদীর মধ্যবর্তী এলাকার ওই স্থানের প্রায় ২শ’ ফুট রেললাইনে সোমবার বিকেল থেকে পানি উঠতে শুরু করে। এখন সময় যতই যাচ্ছে ততই পানি বাড়ছে। ধীরে ধীরে ডুবে যাচ্ছে ওই স্থানের রেললাইন সহ পথ চলাচল। বৃদ্ধি পাচ্ছে হাওরের পানি।

কুলাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার হরিপদ সরকার মুঠোফোনে জানান, গেল ৩ দিন থেকে ওই স্থানটিতে বন্যার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ওই স্থানে রেল লাইনের ১ ইঞ্চি উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানির স্রোত কম থাকায় গতি কমিয়ে ট্রেন চলাচল অব্যাহত রয়েছে। তবে আর পানি কিংবা স্রোত বাড়লে ট্রেন চলাচল অব্যাহত রাখা যাবে কিনা তা আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি জানান, রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জায়গাটি পরিদর্শন করেছেন। তাদের পরামর্শনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে গেল কয়েক দিনের পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টি কারণে কুলাউড়া থেকে সমশেরনগর ও কুলাউড়া থেকে মাইজগাঁও পর্যন্ত গতি কমিয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে ট্রেন চলাচলের।



বিষয়:


বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top