আগামী নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা
রাজ টাইমস ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারী ২০২৬ ১৫:৫৬; আপডেট: ১৩ জানুয়ারী ২০২৬ ১৮:৫৩
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেন, ‘তরুণরা রাজনীতি করছে, আমি আশা করি তাদের অনেকেই নির্বাচনে জয়ী হবে। জুলাই চার্টার তৈরি হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ।’
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে ‘উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা-২০২৬’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন সরকারপ্রধান।
চাকরি না খুঁজে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য কেবল চাকরির উপযোগী জনশক্তি তৈরি করা নয় বরং সৃজনশীল, স্বাধীন চিন্তাশীল ও উদ্ভাবনী মানুষ গড়ে তোলা। তাই চাকরি না খুঁজে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়া জরুরি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষা শুধু চাকরি পাওয়ার হাতিয়ার হিসেবে দেখলে তার প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের সৃজনশীলতা জাগ্রত করা এবং তাকে স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে শেখানো। শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয় বরং চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। উদ্যোক্তা মানসিকতা, কল্পনাশক্তি ও নতুন কিছু তৈরির সাহস এই গুণগুলো শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে বিকশিত হওয়া জরুরি।
সরকারপ্রধান আরো বলেন, দক্ষিণ এশিয়া একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বিভাজন ও ভুল নীতির কারণে এই অঞ্চলের সম্ভাবনাগুলো অনেক সময় কাজে লাগানো যায় না। শিক্ষা হতে পারে সেই শক্তি, যা এই অঞ্চলের তরুণদের পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে সক্ষম করে তুলবে।
মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য কেবল চাকরির উপযোগী জনশক্তি তৈরি করা নয় বরং সৃজনশীল, স্বাধীন চিন্তাশীল ও উদ্ভাবনী মানুষ গড়ে তোলা।
তিনি বলেন, মানুষ জন্মগতভাবেই সৃজনশীল, মানুষের জন্মই সৃষ্টির জন্য। কিন্তু প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা অনেক সময় সেই সৃজনশীলতাকে দমন করে কেবল চাকরির প্রস্তুতিতে সীমাবদ্ধ করে ফেলে। চাকরি না খুঁজে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়া জরুরি।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: