১২ হাজার টেলিকম টাওয়ার ডাউন; ভোগান্তিতে কয়েক লাখ মানুষ

রাজ টাইমস ডেস্ক : | প্রকাশিত: ২৭ মে ২০২৪ ১৮:৪১; আপডেট: ২২ জুন ২০২৪ ২১:৪২

ছবি: সংগৃহীত

ঘুর্ণিঝড় রিমালে দেশের ১২ হাজারেরও বেশি মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার ডাউন। ফলে এসব এলাকার কয়েক লাখ গ্রাহকে নেটওয়ার্ক বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে।

মোবাইল অপারেটরা বলছেন, অনেক জায়গাতেই ব্যাকাপ পাওয়ারও শেষ হওয়ায় সাইট ডাউন হয়ে গেছে। জেনারেটর দিয়ে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, তবে তাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস শারফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, “নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনদের সাথে আমরা যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি এবং সম্মিলিতভাবে কাজ করছি। ইতোমধ্যে একটি ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ও কনট্রোল রুম গঠন করা হয়েছে। আমরা সজাগ দৃষ্টি রাখছি এবং ভুক্তভোগী মানুষদের দ্রুত সংযোগের আওতায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সকাল ১০টা পর্যন্ত দেশের ৪৫টি জেলায় ৮ হাজার ৪১০টি সাইট (মোবাইল টাওয়ার) অকার্যকর ছিল। আর ২১টি জেলায় বিটিসিএলের (পিএসটিএন) ৬৫টি সাইট অকার্যকর রয়েছে। এ ছাড়া ১৫টি জেলায় এনটিটিএনের ১৬৮টি পপ (পয়েন্ট অব প্রেজেন্স-গ্রাহকদের ইন্টারনেট সংযোগের কেন্দ্র) বন্ধ রয়েছে।

বিটিআরসি বলছে, উপকূলীয় এলাকায় গাছ ভেঙে পড়া, বিদ্যুৎ না থাকা এবং ইন্টারনেট কেব্‌লে ক্ষতির কারণে শতাধিক আইএসপি অপারেটরের নেটওয়ার্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব এলাকায় আইএসপিদের ৩২০টি পপের মধ্যে ২২৫টি অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে। উপকূলের প্রায় তিন লাখ ব্রডব্যান্ড গ্রাহক ইন্টারনেট সেবা থেকে বঞ্চিত আছেন।

জরুরি সেবা হিসেবে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা নিশ্চিতে উপকূলীয় জেলাসহ ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে দ্রুত বিদ্যুৎ–সংযোগ দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বিটিআরসির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের মহাপরিচালক কাজী মুস্তাফিজুর রহমান।

রবির চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার মোহাম্মদ সাহেদুল আলম বলেন, বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ পাওয়ার রিস্টোর শুরু করলেই সাইডগুলো আপ হয়ে যাবে। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি যাতে দ্রুত সংযোগ প্রদানে কোনো সমস্যার সৃষ্টি না হয়।



বিষয়:


বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস
এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top