ইবির ট্যুরিজম বিভাগের ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
ইবি প্রতিনিধি: | প্রকাশিত: ৩ মে ২০২৬ ১৪:৩৯; আপডেট: ৩ মে ২০২৬ ১৫:৩০
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের স্মাতক ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবোর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৩ মে) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবনের ৬১৪ নম্বর কক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুস শহীদ মিয়া। এছাড়াও বিশেষ অতিথি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ মাহবুবুল আরফিনসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বিদায়ী শিক্ষার্থী ও বিভাগের শিক্ষকদের মাঝে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনেকেই ক্যাম্পাসের প্রথম দিনের কথা, বন্ধুদের সাথে কাটানো সেরা স্মতি গুলো জুনিয়রদের সাথে শেয়ার করে। এছাড়াও ক্যাম্পাসের প্রতিকূল পরিবেশে লক্ষে পৌঁছানোর দিক নির্দেশনা দেয় তারা। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে অতিথি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুস শহীদ মিয়া বলেন, আপনারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন। আপনারা তরুণ রক্ত, আপনাদের মাঝে নতুন কিছু করার সামর্থ্য আছে। সবসময় মনে রাখবেন, আপনি যে সার্টিফিকেট অর্জন করতে যাচ্ছেন তা কেবল কাগজের টুকরো মাত্র, যদি না আপনি নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে পারেন। আপনাদের ক্যারিয়ার ও জীবনের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মাধ্যমেই আপনি নিজেকে যোগ্য হিসেবে প্রমাণ করতে পারবেন।
ট্যুরিজম বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের সফলতা, আমাদের সফলতা। শিক্ষার্থীরা যখন স্কলারশিপ নিয়ে দেশের বাইরে তখন সেটা আমাদের অর্জন। আমাদের সকল সহকর্মী মিলে ৬-৭ মাস পরিশ্রমের ফলে একটি সেশনজট ফ্রি কোয়ালিটিফুল গ্যাজুয়েট ব্যাচ বের করতে পেরেছি, এটাই আমাদের অর্জন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের বিভাগটা একটা পরিবার। সবাই মিলে একসাথে কাজ করে এই পরিবেশ তৈরি করতে হয়েছে। বিভাগের সকলের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে কমিটমেন্ট, সাপোর্ট এবং কো-অপারেশনের মাধ্যমে আমরা একটা সমৃদ্ধ পরিবার হয়ে উঠবো।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: