আনন্দ-উচ্ছ্বাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থী

প্রাণ ফিরেছে শিক্ষানগরী রাজশাহীর

মহিব্বুল আরেফিন | প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৯:০০; আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৬:১৬

ফাইল ছবি

দীর্ঘ ৫৪৪ দিন পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস করতে পেরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসিত হয়ে শিক্ষার্থীরা। যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে শিক্ষানগরী রাজশাহী। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা। সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটকের সামনে শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে মাস্ক, সাবান, হ্যান্ডওয়াশ, থার্মোমিটার নিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন শিক্ষকরা। তবে কোথাও কোথাও অভিভাক ও শিক্ষার্থীদের ভীড় স্বাস্থ্যবিধি মানাতে ব্যাঘাত ঘটছে।

প্রায় দেড় বছর পর নগরীর রাস্তাঘাটে দেখা গেছে স্কুল নিয়ে যেতে অভিভাবকদের। কেউ কেউ রিক্সা, মোটর বাইক বা হেঁটে হেঁটে স্কুল পোশাক পরিহিত সন্তানদের নিয়ে স্কুলে আসছেন। দীর্ঘদিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় আনন্দ দেখা গেছে শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে।

রাজশাহী শিক্ষা অফিস সূত্র মতে, রাজশাহীতে সরকারি প্রাথামকি বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১ হাজার ৫৮টি। আর শিক্ষার্থী দুই লাখ ৫৮ হাজার ৯০৬ জন এবং ৫৪৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী প্রায় দুই লাখ। সবমিলে প্রায় চার লাখ ৫৮ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী স্কুল যাচ্ছে। তবে সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি এবং রোষ্টার মাফিক ক্লাস নেয়া হচ্ছে। যার কারণে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অনেক কম। প্রথমদিন যারা স্কুলে ক্লাস না থাকার কারণে যেতে পারেনি তারা পর্যায় ক্রমে স্কুলে যাবেন বলে জানা গেছে।

বিভিন্ন স্কুলে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, সাড়ে নটার সময় থেকে ক্লাস শুরু হবার কথা। কিন্তু আটটার মধ্যেই অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে হাজির হয়েছেন। শিক্ষকরা জানান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সন্তোষ জনক। এদিকে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দিন সকাল থেকেই মহানগরীর বিভিন্ন স্কুল ও কলেজগুলোর সামনে এবং ভেতরে রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের স্বাস্থ্য বিধি মানার আহ্বান সম্বলিত বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো হয়। যাতে শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারে।

এদিকে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার খবর চাউর হবার পর থেকে নগরীর বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বেচাকেনার পরিমাণ বেড়ে গেছে। বিভিন্ন লাইব্রেরী স্টেশনারী, কাপড়ের দোকানসহ প্লাস্টিকের জিনিসপত্র বিক্রির হার অনেক বেড়ে গেছে।



বিষয়:


বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top