ইবিস্থ আইইউসানস'র নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত

ইবি প্রতিনিধি: | প্রকাশিত: ১১ মে ২০২৬ ১৯:০৩; আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ২০:৫৩

- ছবি - ইন্টারনেট

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদ্রাসা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘ইসলামিক ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব এন এস (আইইউসানস) এর নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসির ১১৬ নম্বর কক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংগঠনটি। অনুষ্ঠানে নবীনদের রজনীগন্ধা ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

পরে নবীন ও বিদায়ী শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। পরে অতিথিদের বক্তব্য ও মধ্যাহ্নভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সভাপতি এস এম শামীমের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেকান্দার আলী এবং আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম শামছুল হক সিদ্দিকী।

তারা উভয়েই সংগঠনটির উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন। আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সাবেক সভাপতি সজ্জাতুল্লাহ শেখসহ অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ।

সভাপতির বক্তব্যে এস এম শামীম বলেন, আইইউসানসের কার্যক্রম অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের চেয়ে কিছুটা ব্যতিক্রম। এখানে দল-মত নির্বিশেষে আমাদের পরিচয় এক, আমরা ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকার কারণেই নানা প্রতিকূলতার মাঝেও বিভিন্ন সহযোগিতা পেয়ে আসছি।

আমরা চাই রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সব ক্ষেত্রেই আমাদের স্বতন্ত্র পরিচিতি তৈরি হোক। সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় আমাদের সংগঠন এগিয়ে যাবে।

অধ্যাপক ড. এ কে এম শামছুল হক সিদ্দিকী বলেন, দেশের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্যতম ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদ্রাসা। এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমি সবসময় মুগ্ধতা অনুভব করি। এমন একটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হওয়াটা তোমাদের জন্য সৌভাগ্যের। তোমরা পড়াশোনা ও কাজের মাধ্যমে দেশের কাছে এই প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা সমুন্নত করবে।

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক ড. সেকান্দার আলী বলেন, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে, ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা আজ সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন দেশে যাওয়ার সুবাদে পৃথিবীর অনেক পীর-মাশায়েখকে জানার সুযোগ হয়েছে। কিন্তু আমি কায়েদ সাহেব হুজুর সম্পর্কে জেনে মুগ্ধ হয়েছি।

তোমাদের কাছে আমার প্রত্যাশা— তোমরা এই মাদ্রাসাকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নীত করার চেষ্টা অব্যাহত রাখবে। তোমাদের মাধ্যমেই যেন এই প্রতিষ্ঠানটি একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয় এবং তোমরা সেখানে খাদেম হিসেবে কাজ করতে পারো। তোমরা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবে। এন এস কামিল মাদরাসার যে ঐতিহ্য আছে, তা তোমরা সর্বদা ধরে রাখবে।



বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস
এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top