ইবিতে আল-হাদিস বিভাগের বিদায় অনুষ্ঠান

ইবি প্রতিনিধি: | প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০২৬ ২১:৪৪; আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬ ২৩:০৫

ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্স ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের কনফারেন্স রুমে এ অনুষ্ঠান হয়।

এসময় আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ আকতার হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান ও বিশেষ অতিথি হিসাবে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেকান্দার আলী ও আল-হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি অধ্যাপক ড. আ খ ম ওয়ালী উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় বিদায়ী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি আলী আহসান মুহাম্মদ জুবাইর বলেন, আজ বিদায় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে। প্রায় ২৩৬০ দিনের এই দীর্ঘ পদযাত্রায় এতগুলো মেধাবী, সৎ, স্বপ্নবান ও সম্ভাবনাময় মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারা আমার জীবনের অন্যতম বড় সৌভাগ্য।আজ আমরা বিভিন্ন পথে এগিয়ে যাব। কেউ শিক্ষক হব, কেউ গবেষক, কেউ প্রশাসক, কেউ উদ্যোক্তা, কেউ অন্য কোনো পেশায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করব। কিন্তু আমাদের পরিচয় একটাই থাকবে—আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, আমরা আল-হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী।

এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম মতিনুর রহমান বলেন, এই বিভাগের সাথে আমাদের প্রিয় নবী (সা.) এর বানী ও কর্মকাণ্ড ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আপনারা তার জীবনী অধ্যায়ন করে নিজেদের জ্ঞানকে শানিত করেছেন। থিওলজির সিলেবাস ইহকালীন ও পরকালীন উভয় জীবনে সফলতা লাভ করার জন্য।

আপনারা বিশ্বের যেকোন জায়গায় থাকেন না কেন, আপনাদের অস্তিত্ব ইবিকে ভুলে যাবেন না। আপনাদের যেমন পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব রয়েছে, বিভাগের প্রতি দায়িত্ব রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি দায়িত্ব রয়েছে, ঠিক তেমনি সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা রয়েছে। আমি আশা করি আপনারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইবির নাম উজ্জ্বল করবেন। আপনারা বিভাগের গর্বিত অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ:) এর স্থলাভিষিক্ত হবেন।

তিনি আরো বলেন, আমি প্রায় ৩১ বছর ধরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছি। আজকে হয়তো (নতুন দায়িত্বে আসার মাধ্যমে) আমার একটি রূপান্তর ঘটেছে, কিন্তু আমি মনে-প্রাণে একজন শিক্ষক এবং এটিই আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়। শিক্ষার্থীদের মাঝে আমার যতটুকু ক্ষুদ্র জ্ঞান আছে, তা বিলিয়ে দিয়ে আমি তাদের সাথে সংযুক্ত থাকতে চাই। এটিই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ এবং সুখের জায়গা।



বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস
এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top